• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

চিরিরবন্দরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলা…

হামলাদিনাজপুর প্রতিনিধি : চিরিরবন্দরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মারও খেলেন এবং  মামলার শিকার হলেন মনির উদ্দীন নামে এক ব্যবসায়ী। গত ১৮ জানুয়ারী বিকেল আনুমানিক ৪টায় চিরিরবন্দর উপজেলার দূর্গাডাঙ্গা বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী মনির উদ্দীন চিরিরবন্দরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আদালতে দায়ের কৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ী মনির উদ্দীন চিরিরবন্দর উপজেলার দূর্গাডাঙ্গা বাজারে টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, মোবাইল ফোনের চার্জার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবসা করেন এবং আরএফএল প্লাষ্টিকের চেয়ারসহ বিভিন্ন কসমেটিক্স সামগ্রী বিক্রি করেন।
তার দোকান হতে গত এক বছর পূর্বে একই উপজেলার মহলবাড়ী (চেয়ারম্যানপাড়া) গ্রামের রঞ্জু চন্দ্র রায়ের ছেলে সুমন চন্দ্র রায় (৩০) ২১ ইঞ্চি একটি টেলিভিশন কিস্তিতে ক্রয় করেন। ৩ মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও দীর্ঘ প্রায় এক বছর যাবত টাকা পরিশোধ না করে আজ দিব কাল বলে সময় ক্ষেপন করেন।
গত ১৮ জানুয়ারী বিকেল আনুমানিক ৪টায় ব্যবসায়ী মনির উদ্দীন সুমন চন্দ্র রায়কে দূর্গাডাঙ্গা বাজারে দেখতে পেয়ে তার কাছে পাওয়া টাকা চাইলে সুমন চন্দ্র রায় ক্ষিপ্ত হন ও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং টাকা দিবে না মর্মে ব্যবসায়ী মনিরকে বাজার হতে উচ্ছেদের হুমকি দেন।
বাদী মনির যথারীতি তার দোকান খোলে বেচা-কেনা করছিলেন। সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে হঠাৎ সুমন চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে ১০/১১ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তার দোকানে এসে হামলা চালিয়ে দোকানের বিভিন্ন সামগ্রী ভাংচুর করে আসবাবপত্র তছনছ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ওই হামলায় বাদী মনিরের ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে এবং নগদ ১১ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে গেছে মর্মে বাদী তার মামলায় উল্লেখ করেন। এ সময় হামলাকারীরা প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা চাঁদা না দিলে বাজারে দোকান করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেয়। এছাড়া তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়।
বিবাদীরা এতেও ক্ষান্ত না হয়ে বাদী মনিরকে আটক করে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে কোর্টে চালান করে। পরবর্তিতে বাদী মনির উদ্দীন আদালতের মাধ্যমে জামিনে মুক্ত হয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে চিরিরবন্দরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সুমন চন্দ্র রায়, ননী রায়, নবকান্ত রায়, জীতেন্দ্রনাথ রায়, জীবন চন্দ্র রায়সহ ১১জনকে আসামী করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ